1. admin@kholahawa24.com : kholahawa :
বহুমুখী সেতু না টানেল, গাইবান্ধাবাসীর চলমান স্বপ্ন পূরণ যে পথে - খোলা হাওয়া
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১১:৫২ অপরাহ্ন
ঘোষনাঃ
সম্মানিত পাঠক, স্বাগতম আমাদের খোলাহাওয়া ২৪ অনলাইন নিউজপেপারে। আমাদের ওয়েবসাইটের সংস্কার কাজ চলমান আছে। সাময়িক সমস্যার কারণে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদান্তেঃ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। সম্পাদক ও প্রকাশক, খোলাহাওয়া ২৪ ডট কম।

বহুমুখী সেতু না টানেল, গাইবান্ধাবাসীর চলমান স্বপ্ন পূরণ যে পথে

  • আপডেট করা হয়েছে : রবিবার, ৯ মে, ২০২১, ৪.৪৩ পূর্বাহ্ণ
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

এম.এ ইসলাম:
গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্যাপুর, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ির ২৫ লাখ মানুষের স্বপ্ন পূরণে দীর্ঘসূত্রিতার অবসান প্রত্যাশা করতেই পারে যে কেউ। শুধুমাত্র দেশেই নয়, একসময় বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী স্থান এখন পুনর্জাগরণের অপেক্ষায়। সেই সাথে বৃহত্তর রংপুরের দুঃখ ঘোচানোর দিন সামনে।

তৃতীয় মেয়াদে সরকারে রয়েছে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়নে অপেক্ষার প্রহর গুনছে গাইবান্ধাবাসী তথা উত্তরবঙ্গবাসী। তাঁর হাতেই এ অঞ্চলের মঙ্গা মুক্তি পেয়েছে।

শিল্প-কলকারখানাসহ অর্থনৈতিক জোনের আওতায় আনার পথে অনেকটাই এগিয়েছে উত্তরের জনপদ। এখন প্রয়োজন যোগাযোগ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ইতিহাসের সাক্ষী গাইবান্ধার আমূল পরিবর্তনের। বলছি বালাসি (তিস্তামুখ) ঘাট থেকে বিশ্বে পরিচিত বাহাদুরাবাদ ঘাটে বহুমুখী সেতু নয়ত টানেল নির্মাণ নিয়ে চলমান স্বপ্ন পূরণের কথা।

একসময় ফেরিতে পার হতো ট্রেন। যা বিশে^ পরিচিতি এনে দিয়েছিল বালাসি-বাহাদুরাবাদ ঘাটকে। অকল্পনীয় হলেও এটি সত্য। এই ঘাট দিয়ে ট্রেন পারাপার করা হতো ফেরি দিয়ে। ১৯৩৮ সালে তিস্তামুখ ঘাট হতে বাহাদুরাবাদ ঘাটে রেলওয়ে ফেরি চালু হয়। যার নাম দেওয়া হয় ‘বাহাদুরাবাদ রেল ফেরি ঘাট’। ব্রিটিশ সরকার ঢাকার সাথে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য চালু করে এই ফেরি ঘাটটি।

সেসময় বাংলাদেশের নৌ-থানার অন্তর্গত ৪টি ফেরি আর ২টি রেল ফেরিঘাটের মধ্যে অন্যতম ছিল তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ ঘাটটি। বিশ^জোড়া খ্যাতি ছিল ঘাটটির। টানা ৫২ বছর এটি অনেক বাঁধা পেড়িয়ে ফেরি চলাচল করলেও তা ১৯৯০ সালের দিকে নাব্যতা সঙ্কটে অস্তিত্ব হারাতে থাকে। ১৯৮৮ সালের দিকে এর নকশায় আমূল পরিবর্তন হয়। ১৯৮৯ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত থেমে থেমে ফেরি পারাপার হত। ২০০৫ সালের ১৪/১৫ জুলাই বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেল সংযোগ স্থাপন হলে এ ঘাটে ফেরিতে রেল পারাপার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

জানা যায়, একসময় এই ঘাটে ১৩টি লাইন ছিল। এক একটি লাইনে ৩টি করে বগি বা ওয়াগন নেয়ার ক্ষমতা ছিল। এভাবেই সেসময় ট্রেন পারাপার হতো। ২০০৫ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর পর এ ঘাটে রেল পারাপার বন্ধ হলেও চালু ছিল মানুষসহ অন্যান্য সব পারাপারে ফেরি। তবে সেটিও বন্ধ রয়েছে ২০১৫ সাল থেকে। এখনও এ ঘাটে অকার্যকর হয়ে ধ্বংসের পথে ১১টি জাহাজ। সেই সাথে এখানকার ৫শ কর্মচারীকে রেলের অন্য কাজে পদায়ন করা হলেও অনেকেই আছেন ঘাটের অন্যান্য জিনিসপত্র দেখ-ভালের জন্য।

পরবর্তীতে ২০১৯ সালের মধ্যে এটি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়। এটি চালুর জন্য বিএমডবিøউটিএকে ১২৫ কোটি টাকার বাজেটও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আলোর মুখ দেখেনি। এরই মধ্যে তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রংপুরের সাথে লালমনিরহাটের যোগাযোগের জন্য তিস্তাসেতুর প্রসঙ্গে এক টেলি কনফারেন্সে বক্তব্য রাখার সময় গাইবান্ধার এ ঘাটে টানেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ ও প্রকল্প তৈরির কাজ শুরু হয়।

‘যমুনার তলদেশে টানেল নির্মাণে সম্ভাব্য সমীক্ষা পরিচালনা’ নামের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ব্যয় ধরা হয় ১২২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের জানুয়ারির শেষে এটি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বৈঠকে উঠবে। যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ২০২০ সালের মার্চের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। সেই স্বপ্ন এখনো স্বপ্নই রয়ে গেছে।

গাইবান্ধাবাসীর স্বপ্ন পূরণে সরকারের হাতে দুটি পথ খোলা রয়েছে। এদের মধ্যে প্রথমটি নদী শাসন করে বহুমুখী সেতু নির্মাণ। অপরটি টানেল নির্মাণ। প্রথমটির কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথে বাঁধা তৈরি হবে। তাই অনেক বিশেষজ্ঞই এটি নাকচ করে দিয়েছেন। তবে দ্বিতীয়টিতে যদি আসা যায়, তবে টানেল তৈরি করলেও তা দীর্ঘ ১৫ কিলোমিটারের পথ। এত অর্থ কোথায় পাওয়া যাবে। সে প্রসঙ্গে যদি আমরা একটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে এসে যায় ২০১৪ সালের কথা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ থেকে ২৮ মে ২০১৪ সালে জাপান সফর করেছিলেন। সেখানে তিনি যমুনার তলদেশে টানেল নির্মাণসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকার প্রকল্পে ঋণ দেয়ার বিষয়ে জাপান সরকারের সাথে যৌথ ইশতেহার স্বাক্ষর করেন। যা ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) এবং সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে ঢাকায় অবস্থিত জাপান দূতাবাসে পৌঁছানো হয়েছিল।

পরে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) তাতে মতামত দেয়। সম্ভাব্যতা পরিচালনার জন্য বিশ্বব্যাংক, জাইকা এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) কাছে কারিগরি সহায়তা চাওয়া হয়। যার সাড়া আজাবধি পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দেশীয় অর্থায়নে সম্ভাব্যতা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এক ডিও লেটারে টানেলের মধ্যে রেলপথ রাখলে যদি বেশি ব্যয় বাড়ে, সেক্ষেত্রে রেলপথ বাদ দিয়ে শুধু সড়ক পথ নির্মাণ করা যৌক্তিক হবে বলে মতামত দেয়। সেখানে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে ব্যয় বিবেচনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি। পরবর্তীতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আগে একটি প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। এটির পর পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রকল্পটির প্রস্তাব করা হয়েছে। এখানেই আটকে থাকে গাইবান্ধাবাসীর চলমান স্বপ্ন।

গাইবান্ধাবাসীর সেই স্বপ্নটা বেঁচে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর আশায়। দেশে প্রথম কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ চলমান থাকতেই পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ২০২২ সালে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ শেষ হলেই যমুনা নদীতে একই ধরনের একটি প্রকল্প নিয়ে এগোনোর কথা ভাবছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এটি তৈরির প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং যা স্থাপনে বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সে যাই হোক উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক খ্যাতি নির্ভর করছে বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের ওপর।

রাজনৈতিক অঙ্গীকারে বাঙ্গালীর স্বপ্ন পূরণের ইতিহাস আজকের নয়। মুক্তিযুদ্ধে দেশ হয়েছে স্বাধীন, শত বাঁধা-বিপত্তির মুখেও নিজ অর্থায়নে বাস্তবায়নের পথে স্বপ্নের পদ্মা সেতু, এশিয়ার প্রথম কর্ণফুলি টানেল, ঈশ^রদীর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র, রাজধানীতে মেট্রোরেল সবই আজ দৃশ্যমান। সেই সাথে আরও একটি সাহসী উদ্যোগে বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে তৈরি হোক টানেল বা বহুমুখী সেতু। পূরণ হোক রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জবাসীর স্বপ্ন এই কামনায়…

Facebook Comments
image_printPRINT

আমাদের নিউজ শেয়ার করতে নিচের আইকনে ক্লিক করুন

আরো খবর দেখুন
আক্রান্ত

৮৪৮,০২৭

সুস্থ

৭৮০,১৪৬

মৃত্যু

১৩,৪৬৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৮৪৮,০২৭
সুস্থ
৭৮০,১৪৬
মৃত্যু
১৩,৪৬৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৩,০৫৭
সুস্থ
১,৭২৫
মৃত্যু
৬৭
স্পন্সর: একতা হোস্ট

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৮৪৮,০২৭
সুস্থ
৭৮০,১৪৬
মৃত্যু
১৩,৪৬৬
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৭৬,৫১৬,২২১
সুস্থ
১১৪,৮৮৬,৪৫৫
মৃত্যু
৩,৮২২,৬০১

স্থানীয় নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৪:৪২ অপরাহ্ণ
  • ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
  • ৮:২১ অপরাহ্ণ
  • ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ

আমাদের পাঠকসংখ্যা

  • 1
  • 81,460
© All rights reserved © 2020 খোলাহাওয়া ২৪ ডট কম
Theme Design BY MD SABBIR