1. admin@kholahawa24.com : kholahawa :
ইন্টারনেট জগৎ-এ নারী: বাংলাদেশ - খোলা হাওয়া ২৪ অনলাইন
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩০ অপরাহ্ন
ঘোষণাঃ
সম্মানিত পাঠক, স্বাগতম আমাদের খোলাহাওয়া ২৪ অনলাইন নিউজপেপারে। আমাদের ওয়েবসাইটের সংস্কার কাজ চলমান আছে। সাময়িক সমস্যার কারণে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ জানতে  আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদান্তেঃ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। সম্পাদক ও প্রকাশক, খোলাহাওয়া ২৪ ডট কম।

ইন্টারনেট জগৎ-এ নারী: বাংলাদেশ

  • আপডেট করা হয়েছে : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৮.২৪ অপরাহ্ণ
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

মো. মনিরুজ্জামান মনির
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (অধ্যয়নরত )
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ,ঢাকা ।

বাংলাদেশে নারীরা প্রতিনিয়তই অনলাইন এবং প্রযুক্তির দ্বারা নিপীড়ন, নির্যাতন ও যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। যদিও তথ্য ও যোগাযোগের (আইসিটি ) সম্প্রসারণ এবং ইন্টারনেটের ক্রম-বর্ধমান উন্নতি দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক সূচক হিসাবে সমহিত ।

পৃথিবীতে যা কল্যাণ কর-অর্ধেক করিয়াছেন নারী ,অর্ধেক তার নর !! এ কথা অনস্বীকার্য হলেও পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা নানা ভাবে অবহেলিত ও নির্যাতিত । নারী নির্যাতনের বিভিন্ন মাধ্যম আমাদের সমাজে বিদ্যমান। এর মধ্যে নারী নির্যাতনের অন্যতম মাধ্যম হল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারী নির্যাতন করা । প্রযুক্তির অপব্যবহারে সবচেয়ে ভুক্তভোগী হল নারীরা। এমনও হয়েছে একজন নারী পূর্ণ বয়স্ক না হওয়ার পূর্বেই অন্যের মাধ্যমে প্রযুক্তির সংস্পর্শে এসে হেনেস্তার শিকার হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটা ছোট মেয়ের কোন আপনজন, কোন প্রয়োজন বা ভাললাগা থেকে তাঁর (ছোট মেয়েটার) একটা ছবি সোস্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করলেও হেনেস্তার শিকার হতে হচ্ছে ।

অনেক ক্ষেত্রে ফটোশপ কিংবা ভিডিও এডিট ব্যবহার করে বিভিন্ন নগ্ন ছবির সাথে কোন নারীর মুখ জড়িয়ে করা হচ্ছে হয়রানি। যারা এটা করছে তারা অত্যন্ত সুকৌশলে নারীকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে।

নারী নির্যাতনের জন্য নির্যাতনকারী শ্রেণির লোকদের পদ্ধতি উদ্ভবনের শেষ নেই। এই সকল পদ্ধতির অন্যতম সর্বশেষ ধরন গুলোর মধ্যে প্রযুক্তির অপ-ব্যবহার অন্যতম। যদি এই প্রযুক্তির অপ-ব্যবহাররোধে আমরা সচেতন না হই, তবে ভবিষ্যতে এর মাশুল চড়া দামে গুণতে হবে।

সাইবার অপরাধঃ
ইন্টারনেটের সংশ্লিষ্ট অপরাধকে বলা হয় সাইবার অপরাধ । সম্প্রতি ২০২০ সালে ব্যাংক অব অমেরিকার তথ্য মতে সাইবার সংশিষ্ট ব্যবসার বাজার ১৭০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে । এ বাজারের অন্যতম অপরাধ হল পর্নোগ্রাফি । বিশেষ করে নারী-শিশুদের সংশ্লিষ্ট করে পর্নোগ্রাফির এ বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে।

অন্য আর একটি প্রতিবেদনে (UN REPORT) বলা হয়েছে , ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সি নারীরা মানসিক নির্যাতনের হুমকির পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন। পরিসংখানের রির্পোট মতে বিশ্বে অনলাইন ব্যবহারকারীর প্রতি পাঁচ জনে একজন নারী এই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

ইন্টারনেট ও নারীঃ
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা যুগযুগ ধরেই অবহেলিত। তাঁরা আদিমকাল থেকেই পুরুষের দাসত্বে আবদ্ধ। এ কারণে নারীর উপর চলে পুরুষের বেপরয়া খবরদারি । পুরুষেরা ক্ষমতা ও আধিপত্য বজায় রাখতে নারীর ‘শ্লীলতাহানিকে’ হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে আসছে । নারীর প্রতি সহিংসতার মূলে পুরুষের রয়েছে প্রাধান্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষা ও মৌলিক মনোবৃত্তি । পুরুষ নিয়ন্ত্রিত সমাজে নারীর অবস্থান শক্ত নয় বলেই নারীরা আজ ভোগ বিলাসের পণ্য হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতা নারীর স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে । এমনকি নারীর পছন্দ ও অপছন্দের অধিকার, জীবন-জীবিকা নির্বাহের অধিকার-সহ ব্যক্তি হিসাবে বেঁচে থাকার আধিকার কেড়ে নিয়েছে । এই প্রযুক্তি যুগে ঘরে বসেই যেখানে সব করা যাচ্ছে; সেখানেও নারীরা নানাভাবে হেনেস্তার শিকার হচ্ছে। যখনই কোন মানুষ তাঁর ব্যাক্তিগত লালসা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে; তখনই তাঁরা কারও উপর সহিংস হচ্ছে।

সাইবার অপরাধ ও নারী নির্যাতন দমন আইনঃ
তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে বাংলাদেশ একটি আলোচিত দেশ । প্রযুক্তির কল্যাণে দেশে দ্রুত পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা হতে সামাজিক ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। ইন্টারনেট ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে ক্ষুদ্র হতে মাঝারি উদ্যোক্তা । প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সাথে সাইবার হামলা ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাস এর মত । আইন এর সুষ্ঠ প্রয়োগের অভাব, বিচারহীনতা , আইনের সীমাবদ্ধতা , আইন ও অপরাধ সর্ম্পকে অসচেতনতা সাইবার অপরাধের মূল কারণ।

বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের ক্ষেত্র হিসাবে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। এছাড়া এই তালিকায় রয়েছে ,ইমু /ইউটিউব এর মত প্লাটর্ফামগুলো। এই অপরাধের বেশীরভাগ ভুক্তভোগী হল নারী। অশ্লীল কথার গান , অন্তরঙ্গ মুভির দৃশ্য-সহ সকল ক্ষেত্রেই রয়েছে নারীর চরিত্র হনণের চেষ্টা।আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অনেক নারীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে করা হচ্ছে যৌন হয়রানি ও ব্লাকমেইল।

আইন কি বলে?
নানা সর্তকতা মেনে চলা শর্তেও প্রতিদিন সাইবার অপরাধ বেড়েই চলছে । যার ফলে বেড়ে গেছে আত্মহত্যার প্রবণতা । এ অপরাধরোধে দেশে স্থাপন করা হয়ছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল।বাংলাদেশে ২০০৬ সালে প্রথম সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ আইন (আইসিটি অ্যাক্ট) প্রণয়ন করা হয়৷ এরপর ২০১৩ সালে এই আইন সংশোধন করা হয়। এই আইনে কারো অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও তোলা এবং তা প্রকাশ করার অপরাধে ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের আইনে কাউকে কোনো হুমকি দেয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃত বা অজ্ঞাতসারে অন্য ব্যক্তির জন্য আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক কোনো তথ্য প্রকাশ করেন, অথবা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করেন যা অন্য ব্যক্তিকে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ করতে পারে এবং মিথ্যা জানা সত্বেও অন্যদেরকে অপমান, অপদস্থ, বিরক্ত বা হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে কোনো মন্তব্য করলে আইন অনুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে তিন বছরের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে । এছাড়া এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি হলে, অর্থাৎ অনলাইনে এই ধরনের কন্টেন্ট ছড়িয়ে দিতে থাকলে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও দশ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তির বিধান রয়েছে । পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে কোনো নারী, পুরুষ বা শিশুকে প্রলোভন দিয়ে জ্ঞাত বা অজ্ঞাতে স্থির, ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপ করা যাবে।

এই বিলে আরো বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে কারও সম্মানহানি করে বা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করে বা করার চেষ্টা চালায় তবে বিচারক ২ থেকে ৫বছর মেয়াদী কারাদণ্ড আরোপ করতে পারবেন এবং তদুপরি, ১ থেকে ২লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড করতে পারবেন। শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণকারীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অধিকন্তু ৫ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।

এই আইনের সঠিক ব্যবহারের ব্যাপারে সচেতন করার পাশাপাশি আইনের প্রয়োগ করা হলে সাইবার অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে একটি সাইবার হেল্প ডেস্কও রয়েছে৷ এই হেল্পলাইন (০১৭৬৬৬৭৮৮৮৮) সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।

বাংলাদেশের যে কোনো জায়গা থেকে যে কেউ হেল্পলাইনে সরাসরি ফোন করে অথবা এসএমএসের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন।এছাড়া সাইবার হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে হটলাইন ৯৯৯ চালু করেছে সরকার।যে কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে এই হটলাইনে ফোন করেও অভিযোগ জানাতে পারবেন।

অপরাধ রোধে আমাদের করনীয়ঃ

প্রযুক্তির নির্ভশীলতা যেমন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে তেমুনি নৈতিকতা আর মূল্য বোধের অধঃপতন ঘটিয়েছে । সাইবার অপরাধ কমানোর প্রধান উপায় সচেতনতা । ইন্টারনেটের প্রচার খুব সহজে এবং দ্রুত হয় যার জন্য ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও কখনো কখনো অপব্যবহার হয়ে যায় । এ ব্যপারে সবাইকে সর্তক থাকতে হবে । বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে(এক কথায়) – ফ্লেক্সিলোড দোকান থেকে সাইবার ক্যাফে পর্যন্ত সকল জায়গাতে বিশেষ সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।

Facebook Comments
image_printPRINT

আমাদের নিউজ শেয়ার করতে নিচের আইকনে ক্লিক করুন

আরো খবর দেখুন
আক্রান্ত

১,৫৪৮,৩২০

সুস্থ

১,৫০৭,৭৮৯

মৃত্যু

২৭,৩৩৭

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৪৮,৩২০
সুস্থ
১,৫০৭,৭৮৯
মৃত্যু
২৭,৩৩৭
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১,১৪৪
সুস্থ
১,৬৫৩
মৃত্যু
২৪
স্পন্সর: একতা হোস্ট

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৪৮,৩২০
সুস্থ
১,৫০৭,৭৮৯
মৃত্যু
২৭,৩৩৭
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২২৯,২২৭,৬৪২
সুস্থ
মৃত্যু
৪,৭০৬,১১৫

আমাদের পাঠকসংখ্যা

  • 0
  • 91,211
© All rights reserved © 2020 খোলাহাওয়া ২৪ ডট কম
Theme Design BY MD SABBIR